বরাই পাতা ও নিম পাতার পানি: গরম করে ঠান্ডা করে ব্যবহার করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?
বরাই পাতা ও নিম পাতার পানি: গরম করে ঠান্ডা করে ব্যবহার করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?
বরাই পাতা ও নিম পাতার পানি: অসাধারণ প্রাকৃতিক উপকার
বরাই পাতা এবং নিম পাতা প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে সমৃদ্ধ। গরম পানিতে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ব্যবহার করলে ত্বক, মাথার ত্বক, মুখগহ্বর ও ফাঙ্গাল ইনফেকশনে অত্যন্ত উপকারী।
১. ত্বকের চুলকানি, র্যাশ ও ঘামাচিতে উপকার
- ঘামাচি
- এলার্জির র্যাশ
- স্কিন ইরিটেশন
- লালভাব ও চুলকানি
২. ব্রণ ও পিম্পল কমায়
নিম পাতা ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। বরাই পাতা ত্বকের লালভাব কমায় ও তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩. একজিমা, দাদ ও খোসপাঁচড়ায় উপকার
এই পানির অ্যান্টিফাংগাল গুণ দাদ, খোসপাঁচড়া ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।
৪. মাথার ত্বকের খুশকি ও স্ক্যাল্প ইনফেকশন কমায়
স্ক্যাল্প চুলকানি, খুশকি ও চুল পড়ে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে।
৫. মুখের দুর্গন্ধ, মাড়ির ইনফেকশন ও গলা ব্যথায় উপকার
সিদ্ধ পানি দিয়ে গার্গল করলে গলা ব্যথা, মাড়ির প্রদাহ ও মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
৬. যোনিপথের চুলকানি ও লালভাব কমায় (External Wash)
বাহ্যিক ইনফেকশন, জ্বালা ও চুলকানিতে কার্যকর। শুধু বাহ্যিক পরিষ্কারে ব্যবহার করুন।
৭. পায়ের গন্ধ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশনে উপকারী
পায়ের বাজে গন্ধ, ফাঙ্গাল দাদ ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।
কীভাবে বানাবেন?
- বরাই পাতা ৮–১০টি
- নিম পাতা ৮–১০টি
- পানি ১–২ লিটার
৭–১০ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন।
ব্যবহারের নিয়ম
- ত্বকের জন্য: প্রতিদিন বা সপ্তাহে ৩–৪ দিন
- মাথার ত্বকের জন্য: সপ্তাহে ২–৩ বার
- গার্গল: প্রয়োজন অনুযায়ী
- পায়ের জন্য: সপ্তাহে ৩–৫ দিন
সতর্কতা
সংবেদনশীল ত্বকে আগে টেস্ট করুন। চোখে লাগাবেন না। গুরুতর ইনফেকশনে ডাক্তার দেখান।
